ধারবাহিক প্রতিবেদন-১: উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটক শুন্য হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ

ইয়াকুব নবী ইমন: উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটক শুন্য হয়ে পড়ছে নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার পর্যটন এলাকা নিঝুমদ্বীপ। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলে নিঝুমদ্বীপে বাড়বে পর্যটক। আয় হবে সরকারী রাজস্ব। নিঝুমদ্বীপ হবে দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। তাই দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবী জানিয়েছে পর্যটকরা ও এলাকাবাসী। সমস্যা সমাধানের আশ^াস দিয়েছে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, সরকার ২০১৮ সালে নিঝুমদ্বীপকে পর্যটন এলাকা ঘোষনা করে। দেশী বিদেশী পর্যটকরা এখানে আসার জন্য আগ্রহী হলেও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অনেকে আসতে চাননা। একজন পর্যটককে নিঝুমদ্বীপ যেতে হলে প্রথমে চেয়ারম্যান ঘাট, এর পর ট্রলার, সি-ট্রাক বা স্প্রিড বোর্ডে করে যেতে হয় ওছখালী। সেখান থেকে মোটর সাইকেলে ছড়ে মোক্তারিয়া ঘাট, এর পর ট্রলার বা স্প্রিড বোর্ডে করে যেতে হয় নিঝুমদ্বপে। সেখান থেকে আবার মোটর সাইকেলে করে যেতে হয় নিঝুমদ্বীপের মূল বনে। পর্যটন এলাকা ঘোষনার পর নিঝুমদ্বীপের অভ্যন্তরে কয়েকটি সাইন বোর্ড ও কয়েক কিলোমিটার সড়ক পাকা করণ ছাড়া কোন কাজই হয়নি। পর্যটকরা জেলা শহর মাইজদী থেকে নিঝুমদ্বীপ যেতে প্রায় প্রায় ৭-৮ ঘন্টা লেগে যায়। উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলে সময় ও অর্থ দুটি বাঁচবে পর্যটকদের। তাছাড়া হাতিয়া থেকে নিঝুমদ্বীপ যাতায়তের একমাত্র সড়কটিরও বেহাল দশা হওয়ায় দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা।
সড়ক যোগাযোগসহ অরো সুযোগ সুবিধার দাবী জানিয়েছে নিঝুমদ্বীপ দেখতে আসা এই পর্যটক। স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে সড়ক উন্ননে বরাদ্ধের টাকা লুটপাটেরও অভিযোগ করছেন কেউ কেউ।
এ ব্যাপারে হাতিয়া নিঝুমদ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহনেরও দাবী জানান।
হাতিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ বলেন, পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সহসায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে।
পর্যটন শিল্পের বিকাশের স্বার্থে সরকার নিঝুমদ্বীপে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন করে পর্যটকদের নির্বিগ্নে আশা-যাওয়ার পথ সুগম করবে এমনটাই প্রত্যাশা নোয়াখালীাবাসী।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *