নোয়াখালীতে ফনির তান্ডব: নিহত ২, আহত অর্ধশত, ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

ইয়াকুব নবী ইম: শনিবার ভোরে নোয়াখালীতে হানা দেয় ঘুর্নিঝড় ফনি। ফনির তান্ডবে এখনো পর্যন্ত জেলায় ২ জন নিহত ও অর্ধশত আহত হয়েছে। বিধ্বস্ত হয়েছে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ঘর। জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে জেলার অধিকাংশ নিম্মাঞ্চল।
ঝড়ের সময় শনিবারে ভোরে সূবর্নচর উপজেলার চর আমানউল্যাপুর গ্রামে ঘর ছাপা এক শিশু ও কোম্পনীগঞ্জ উপজেলার চর কাকঁড়া ঝুমর নামে এক স্কুল ছাত্রী নিহত হয়। এছাড়া জেলার বিছিন্নদ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপসহ অধিকাংশ এলাকা জোয়ারে পানিতে তলিয়ে গেছে। সকাল থেকেই জেলায় প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া বইছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে। এখনো অতঙ্কের মধ্যে রয়েছে উপকূলের মানুষ।

এছাড়া জেলার সদর, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্নচর, কবিরহাট, বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সেনবাগ, সোনাইমুড়ীসজ বিভিন্ন স্থানে ঝড়ে ৫ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও ঝড়ের সময় গাছের ডাল ও ঘরের নিচে চাপা পড়ে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩০ জনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বিচ্ছিন্নদ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন জানান, রাতে ও সকালে দুই ফনি আঘাত হনে নিঝুমদ্বীপে। ঝড়ে অর্ধশত ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০ জন আহত হয়।
হাতিয়ার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুর রহমান জানান, রাতে ঘুর্নি ঝড়ের সময় অধিকাংশ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে থাকায় এখানে নিহতের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে যারা বাড়ি ঘরে ছিলো এমন ২০-২৫ জন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। উপজেলায় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পেয়েছি আমরা ।

 

নোয়াখালী জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস জানান, দুজন নিহতের খবর আমরা পেয়েছি। বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্নয়ের চেষ্টা চলছে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *