ইতিহাসের স্বাক্ষী হচ্ছে শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম

প্রতিনিধি: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের স্বাক্ষী হতে যাচ্ছে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম। ফেডারেশনের গ্রিণ সিগন্যাল পাওয়ার পর আনন্দে ভাসছে স্থানীয়রা।

তবে এখনও শুরু হয়নি স্টেডিয়াম ও মাঠের সংস্কার কাজ। যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে সূচি চূড়ান্ত হলে এক সপ্তাহের মধ্যেই সব প্রস্তুতি নেয়া সম্ভব।

সূত্র জানায়, মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। এবার বিপিএলের খেলা নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জানিয়ে ইতিমধ্যে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনকে চিঠিও দেয়া হয়েছে। ফুটবল ফেডারেশনের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি নোয়াখালী সফর করে স্টেডিয়ামের সার্বিক বিষয় দেখেছেন।

এদিকে, দক্ষিণের এ জেলা স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো বসতে যাচ্ছে ঘরোয়া ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর। ঘরের ক্লাব নোফেল স্পোর্টিং হোম ভেন্যু হিসেবে বেঁছে নিয়েছে এই স্টেডিয়ামকে। জাতীয় তারকা খেলবেন এই আসরে। এতে উদ্বুদ্ধ হবে তরুণ প্রজন্ম। তৈরি হবে নতুন ফুটবলার। আশাবাদী জেলার ফুটবলাররা। এমন খবরে অবসান হতে যাচ্ছে দীর্ঘ দিনের প্রতিক্ষার। আর ইতিহাসের স্বাক্ষী হবার অপেক্ষায় নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম।

নোয়াখালীর ক্রীড়া সংগঠক মোরশেদুল আমিন ফয়সল অবজারভার অনলাইনকে বলেন, আমাদের জেলায় দেশের সব ছেয়ে বড় ফুটবলের আসর বসছে জেনে খুবই ভালো লাগছে। আমি আনন্দিত যে দীর্ঘ দিন পর আমাদের প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। আশা করি এই আসরের মাধ্যমে এ জেলায় নতুন ফুটবলার জম্ম হবে। বের হয়ে আসবে তারকা খেলোয়াড়। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আয়োজকদের সাধুবাদ জানাই।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু অবজারভার অনলাইনকে বলেন, স্টেডিয়াম ও অনান্য সুযোগ সুবিধা পরিদর্শন করেছেন ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা। তার দাবি সুযোগ সুবিধায় সন্তুষ্ট পরিদর্শক দল।

তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এখনো প্রস্তুত নয় আউট ফিল্ড, সংস্কার হয়নি স্টেডিয়ামও। এলোমেলো রয়েছে দর্শক গ্যালারী। সব মিলিয়ে দ্রুত স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজে হাত দিতে হবে।

সোমবার সকালে এ ব্যাপারে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি তম্ময় দাসের সঙ্গে আলাপকালে অবজারভার অনলাইনকে তিনি বলেন, ফেডারেশন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালে আমরা দ্রুত কাজ গুছিয়ে নেব। তাছাড়া আমাদের ফুটবল অনেক উন্নত হয়েছে। ফেনী সকার নাম বদলে নোয়াখালী-ফেনী-লক্ষ্মীপুর ৩ জেলার সমন্বয়ে নোফেল স্পোর্টিং ক্লাব হিসেবে আমাদের দল আত্মপ্রকাশ করেছে। বিগত বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশীপে রানার্সআপ হয়েছে দলটি। আশা করি ভবিষ্যৎতে দলটি আরও ভালো করবে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *