কিরণের আলোয় আলোকিত বেগমগঞ্জ!

জাতীয় নিশান রিপোর্ট: মামুনুর রশিদ কিরণ, বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, নোয়াখালী-৩(বেগমগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও কৃষি মন্ত্রনালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। নোয়াখালীর ঘরোয়া রাজনীতির প্রাণ পুরুষ। বলতে গেলে বেগমগঞ্জ আওয়ালী রাজনীতির বটবৃক্ষ, নৌকার কান্ডারী, গণমানুষের প্রিয় নেতা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, বেগমগঞ্জের গণমানুষের নেতা, বহুগুনে গুনান্নিত এই জনহৈতিষী মানুষটি বেগমগঞ্জ উপজেলার আপমর জনগণনের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। এক দিনে নয়, তিলে তিলে তিনি গড়ে তুলেছেন বেগমগঞ্জ আওয়ামীলীগকে। দলের প্রতি অকৃতিম আস্থা, বিশ্বাস, আন্তরিকতা ও দলের প্রয়োজনে দু’হাতে খরচ করার বিষয়টি মামুনুর রশিদ কিরণের ঘোর বিরোধীরা স্বীকার করতে বাধ্য হন।
মামুনুর রশিদ কিরণ এক দিনে গণমানুষের নেতা হয়ে উঠেননি। জনকল্যাণমুখি নানা কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি সাজিয়েছেন বেগমগঞ্জকে। এই সত্য শুধু আওয়ামী পরিবারের নয়, নোয়াখালীর জনজীবনে বিশেষ করে বেগমগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ অকপটে দলমতের উর্ধ্বে একথা স্বীকৃত সত্য। রাজনীতির মূল আর্দশ যদি জনসেবা হয়, আর রাজনীতিবিদের প্রকৃত পরিচয় যদি সেবক হয় তাহলে দলীয় সংকীর্ণবোধের উধের্ব উঠে বলতে হবে একমাত্র মামুনুর-রশিদ কিরণ এমপি সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। আওয়ামীলীগ দলীয় পরিবারে তার চেয়ে আরও বড় পুরনো ত্যাগী, অভিজ্ঞ নেতা রয়েছেন যাঁরা স¦ীকার করবেন একজন অহিংস উদারনৈতিক বিশাল চিত্ত ও বিত্তবৈভবের অধিকারী সাদা মনের মানুষ মামুনুর-রশিদ কিরণ এমপি। ইতিমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি তিনি বেগমগঞ্জ আপমর জনগনের আস্থার প্রতিকে পরিণম হয়েছেন। বৈষম্যহীণ সহজ সরল স্বাভাবিক ¯েœহশাসন-ক্ষমা সুন্দর নেতৃত্ব ও স্পষ্টবাদী মনোভাব তাকে আসীন করেছে মর্যাদার আসনে।
মামুনুর রশিদ কিনের সহজ সরল সত্যনিষ্ঠ মনোভাবকে রাজনীতির কুচক্রীমহল ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ খোঁজার চেষ্টা করলেও প্রকৃত পক্ষে এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণ এর সহজ সরল উদারতা এবং স্পষ্ঠবাদী মনোভাবেই সাধারণের নিকট জনপ্রিয় করে তুলেছে। ছোট বেলা থেকে পরোপকারী মনোভাবের এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণের জন্ম বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌর এলাকার নাজিরপুরে এক শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারে। রাজনৈতিকভাবে আওয়ামী পরিবার হিসেবে খ্যাত, যে পরিবারের র্কতা ব্যক্তি প্রয়াত আইনজীবী এডভোকেট জয়নাল আবেদীন মামুনুর-রশিদ কিরণের পিতা। যিনি একাধারে একজন ভাষা ও জাতীয় স্বাধীকার আন্দোলনের বলীষ্ঠ সংগঠক ছিলেন। নৈতিক চারিত্রিকভাবে যাঁর ছিলো এক নিষ্কলুষ ইতিহাস।
৬ ভাই ২ বোনের সংসারে একাধারে আইনজীবি ও রাজনীতিক পিতার সান্নিধ্যে বেড়ে উঠা এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণ এর শিক্ষা জীবন অতিবাহিত হয় স্থানীয় টেকনিক্যাল হাইস্কুল এবং চৌমুহানী কলেজের মত নোয়াখালীর এক রাজনৈতিক ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাঙ্গনে। আইনজীবী পিতার পরোপকারী সমাজ সেবামূলক মনোভাব আর উদারনৈতিক অহিংস প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার পথ ধরে এগিয়ে চলা এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণ এর রাজনীতিতে হঠাৎ করে উড়ে এসে জুড়ে বসা নয় বরং পিতার প্রদর্শিত পথে প্রথমে নিজেকে একজন একনিষ্ঠ সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী দানবীর হিসেবে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেন। নোয়াখালী বেগমগঞ্জের এক অনন্য সাধারণ ভ্রাত্বত্ববন্ধনে আবদ্ধ আর্দশ পরিবার হিসেবে গর্বিত পিতার গর্বিত সন্তান বলা যায়। ভাইদের মধ্যে সকলেই সৌভাগ্যভান ব্যক্তি হিসেবে আজ এক প্রতিষ্ঠিত পরিবার গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লীঃ এর মধ্যে দিয়ে যে পরিবারের নোয়াখালীতে আতœপ্রকাশ। ভাইদের মধ্যে সুদৃঢ় কঠিন অনুশাসন আর ভ্রাত্বত্ব বন্ধনের শৃংক্ষলে গড়ে উঠায় আজ আর শুধু নোয়াখালীতে নয় গ্লোব পরিবার দেশের পরিমন্ডল ছেড়ে বিদেশে রপ্তানি পণ্যেও এক উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে রূপান্তারীত হয়েছে। যাহা দেশের পূঁিজবাজারে এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বিরাট এক অর্থনৈতিক অবদান রেখে চলেছে। শিল্প পণ্যের মধ্যে ঔষধ ছাড়াও আজ দেশের জন-জীবনে নিত্যনৈমিত্তিক চাহিদা ও ব্যবহার উপযোগী সামগ্রী পানীয় মৎস্য ডেইরি পোল্ট্রি ফিসফিড, মানুষের রুচিশীল খাবার বিস্কুট শিশু খাদ্য গুড়ো দুধ ছাড়াও দৈনন্দিন সরবরাহকারী দেশের এক নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে গ্লোব কোম্পানী লীঃ। যার ফলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের জন-জীবনের পাশাপাশি দেশের সর্ববৃহৎ শিল্পপণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানীকারক। গ্লোব শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে একদিকে যেমন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিরাট অবদান রেখে চলেছে অপর দিকে স্থানীয় এবং দেশীয়ভাবে বেকারত্ব দূরীকরণে বিশাল কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে চলেছে গ্লোব শিল্প প্রতিষ্টান ভূক্ত ক্ষুদ্র মাঝারি বৃহৎ কলকারখানা সমূহ। যার প্রকৃষ্ঠ উদাহারণ নোয়াখালীতে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস লীঃ কে ঘিরে বেগমগঞ্জের বিসিক শিল্পনগরী, গ্লোব ফিসফিড, গ্লোব বিস্কুট এন্ড গ্লোব ফুড লিঃ। ভাইদের পারিবারিক যৌথ মালিকানায় গড়ে তোলা এসব ব্যবসায়ীক শিল্প প্রতিষ্ঠানে দেশে লক্ষ লক্ষ লোকের বিশেষ করে বেগমগঞ্জের জন-জীবনে বেকারত্ব দূরীকরণ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নে বিশাল অবদান রাখার সাথে সাথে সমাজ সেবায় একাগ্রচিত্তে মনোযোগী হয়ে উঠেন এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণ। তাঁর একান্ত ইচ্ছা সহানুভূতিতে শুরু হয় নোয়াখালীর প্রত্যন্তর এলাকা তথা বেগমগঞ্জের মাটি ও মানুষের জীবন জীবিকার কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি গরিব দূঃখী মেহনতী মানুষ নদী ভাঙ্গা ছন্নছাড়া মানুষের জন্যে অর্থনৈতিক অনুদান সহযোগিতার হাতছানি শীতবস্ত্র, খাদ্য, ঔষধ, গৃহ নির্মাণ, শিক্ষা, চিকিৎসা, সহ শিক্ষা সামগ্রি ও শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পিতার নামে জয়নাল আবেদীন মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা নির্মাণ ও সংস্কার, অসহায়দের সহায়,ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে ক্লাব সংঘ সমিতিতে অর্থনৈতিক হাত প্রসারিত করার পাশাপাশি পিতার রাজনৈতিক আদর্শিক দল আওয়ামীলীগকে প্রতিষ্ঠা করার মানসে এগিয়ে আসেন আওয়ামী রাজনৈতিক অঙ্গঁনে, পিতার অনুসৃত পথ ধরে সেই ছাত্র জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। এক সময় হাল ধরেন বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের। দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন করে দ্রুত দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেত্বত্বদানকারী জাতির জনক বঙ্গঁবন্ধুর নিরলস প্রচেষ্টায় গড়া স্বাধীনদেশ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়দীপ্ত রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগকে বেগমগঞ্জ উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে শক্ত অবস্থানে উন্নীতকরণে মনোযোগী হন। বেগমগঞ্জের প্রত্যন্তর অঞ্চলে তৃণমূল পর্যায়ে গড়ে তোলেন সাংগঠনিক নেতাকর্মী সমর্থকের এক বিশাল বহর। ইতিপূর্বে চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে চৌমুহনীকে একটি আধুনিক ও নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তোলেন। যার ফলশ্রুতিতে দলীয়ভাবে আওয়ামীলীগ এই স্থানে একটি শক্ত অবস্থানে চলে আসে এবং এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণের দলীয় সাংগঠনিক অবদানের পথ ধরে চৌমুহনী পৌরসভায় সুদৃঢ় অবস্থানের কারনে দলটি যেমন পরবর্তী পৌর মেয়র নির্বাচনে মেযর পদটি নিজেদের দলীয় অধীনে আকতার হোসেন ফয়সালের নেত্বত্বে সুনিশ্চিত করতে পেরেছে তেমনি বেগমগঞ্জের তৃণমূল পর্যায়ে এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণের বিপুল অর্থনৈতিক হাতছানীতে ও সাংগঠনিক কর্ম তৎপরতায় নোয়াখালীতে বি.এন.পির র্দূগ হিসেবে খ্যাত বেগমগঞ্জ আসনে জাতীয় সংসদে এম.পি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে কেবল মাত্র তিনি নিজে নয় বরং আওয়ামীলীগকেও করেছেন গৌরবান্বিত। অবশ্য এক্ষেত্রে প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক এম.পি ও গর্ভণর নুরুল হক, সাবেক এম.পি ও জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ, প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আমিন উল্যাহ, আওয়ামীলীগনেতা আবুল হাসেম বি.এ, ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত ছায়েদুল হক ছাদু, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি মোহাম্মদ উল্যা, প্রয়াত চেয়ারম্যান আবদুর রব, জালাল আহাম্মদ সহ অনেক ত্যাগী আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীর বিগত ঐতিহাসিক অবদানের পথ ধরেই দলের দায়ীত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি আজ বেগমগঞ্জের বলতে গেলে নোয়াখালীর অধীকাংশ আ,লীগ নেতা কর্মীর এক আর্দশিক ও বেড়ে উঠার অনুপ্রেরনায় পরিণত হয়েছেন।
এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণের সবচেয়ে বড় সাফল্য তিনি সম্প্রতি বেগমগঞ্জের আবদুল মালেক মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গনে সরকারের ৪ শত কোটি টাকা বরাদ্ধে প্রয়াত এম.পি ও পবীণ আ,লীগ নেতা নুরুল হকের নামে পাঁচ শত শয্যা বিশিষ্ট নুরুল হক আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এম.পিকে দিয়ে তার ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠান করানো। যদিও এই আবদুল মালেক মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠায় আরো অনেক নেতার মেধা ঘাম শ্রম রয়েছে সেসব মহৎ অবদানের মধ্য দিয়ে বলতে হয় মেডিকেল কলেজের হাসপাতালটি যখন অন্যত্র হাইজ্যাক হয়ে যাচ্ছিল সেসময় সঠিক মূর্হুতে কার্যকর ভূমিকায় অবর্তীণ হন এম.পি কিরণ। শুধু নিজ দল আ’লীগ এর জন্য সাফল্য বয়ে আনেননি সামগ্র নোয়াখালী ও বেগমগঞ্জবাসীর জন্য বয়ে এনেছেন বিশাল সাফল্য। যে সাফল্য ভোগ করবে বেগমগঞ্জের সাধারণ জনগণ। এছাড়াও এম.পি কিরণের নেত্বত্বে বেগমগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, সংস্কৃতি , ধর্মীয় সামাজিক উন্নয়নে যে ধারা অব্যহত গতিতে চলছে তাতে তিনি একদিকে যেমন উন্নয়নের রোল মডেল এবং অপর দিকে আওয়ামীলীগের নৌকার কান্ডারী ও বটবৃক্ষের ছায়া হিসেবে পরিণত হয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।
সম্প্রতি জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর মনোনিত প্রার্থী এ, বি, এম জাফর উল্যাকে বিজয়ী করায় এম.পি কিরনের ভূমিকা ছিল এক অনন্য অবদান। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যিনি ছিলেন জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং তাতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে। ব্যক্তিগত ভাবে একজন ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিসদা শ্রদ্ধাশীল, পরধর্মে সহনশীল, নীজ ধর্মে অনুগত, সদা সহাস্য সদালাপী বন্ধুসুলভ, মাদক, ধুমপান, সন্ত্রাস-জঙ্গিপনা বিদ্বেষী মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণ সদাসর্বদা নৈতিক চারিত্রিক ও সামাজিক অবক্ষয় মূলক বিষয়দীর বিরুদ্ধে যেমন স্বোচ্ছার কন্ঠ তেমনি তাঁর মধ্যে স্থান করে আছে সত্য সুন্দর অহিংস উদারতার এক মহান ব্যাক্তিত্ব। যেখানে দেশের বীরশ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবার মহান ব্যক্তি থেকে শুরু করে সমাজ সংগঠক দলমতের উর্ধ্বে রাজনীতিক, সাংবাদিক, লেখক, কবি সাহিত্যিক দরিদ্র কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষ কখনো কোন কাজে বিমুখ হননি একমাত্র সমাজের ক্ষতিকারক দুষ্ট চক্রের অমানুষ ব্যতিত।
বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র একাধিক নেতার সাথে আলাপ করলে তারা বলেন, এম.পি মামুনুর-রশিদ কিরণই একমাত্র নেতা যিনি কথায়, কাজে, নেত্বত্বে, ব্যক্তিত্বে চারিত্রিক দৃঢ়তায়, হাস্যরসে পরোপকারী এবং সর্বাগ্রে নীজ দলীয় রাজনৈতিক দৃঢ়তায় একজন জন্মসূত্রে আওয়ামী পরিবারের সন্তান। জননেতা নুরুল হক মিঞার পরে নোয়াখালী তথা বেগমগঞ্জে আওয়ামীলীগের পতাকা ও প্রতীক নৌকার শক্ত হাল ধরে বর্তমানে এক বটবৃক্ষের ছায়া হিসেবে অবস্থান করছেন তিনি। যাহা শত ঝড়-বন্যা ঘূর্ণিতেও উপড়ানো সম্ভব নয় বলে মনে করেন দলের সিনিয়র এই নেতারা।

এ প্রতিক্রিয়ায় মামুনুর রশিদ কিরণ বলেন, আমি আমার দেশকে ভালোবাসি, দলকে ভালোবাসি, দলের মহান নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এবং তাঁর যোগ্য উত্তরসুরী জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি সত্য ন্যায়পরায়ন ভালো মানুষদের ভালোবাসি। আমি নোয়াখালী তথা বেগমগঞ্জ উপজেলার সাধারণ জনগনের সাথে অতীতে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *