নাস্তিক নাজমুল হােসেনকে আদালতের মাধ্যমে ত্যাজ্য ঘােষনা!

বিশেষ প্রতিনিধি : নােয়াখালী সেনবাগ উপজেলার মােহিদিপুর গ্রামের বাসিন্দা আনােয়ার হােসেন তার ওরােশজাত পুত্র সন্তান নাজমুল হােসেন কে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন। যার বয়স ২১ বৎসর, গত ১৪/১০/১৮ ইং তারিখ বিজ্ঞ মূখ্য জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে ত্যাজ্য ঘােষনা করেন তার পরিবার। নাজমুল হোসেন এর বাবা আনোয়ার হোসেন সুস্থ ও স্বজ্ঞানে ঘােষনা করেন যে, তাহার পূত্র নাজমুল হােসেন, জন্ম তারিখ – ০১/০১/১৯৯৮ ইং পবিত্র ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মােহাম্মদ (সঃ) কে নিয়ে ঘৃনিত মিথ্যা কটুক্তি ধর্মের পবিত্রতার বিকৃত সমালােচনার দায়ে বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে তিনি ও তাহার স্ত্রী পূত্রকে ত্যাজ্য সহ সকল প্রকার অধিকার (ধন সম্পদ) থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ঘােষনা করেন।

এই ঘােষানার পর হইতে তাহার পূত্র নাজমুল হােসেনের সাথে তাদের ও পরিবারের সদস্য/ আত্নীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব/পরিচিত মহলের সাথে কোন সম্পর্ক বা লেনদেন থাকিবেনা। যদি কোন ব্যক্তি/গােষ্ঠী তার সাথে কোন প্রকার সম্পর্ক স্থাপন বা লেনদেন করেন তবে তা সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্নে করিবেন এবং এবিষয় তার অভিভাবগন কোন ভাবেই দায়ভার/দায়িত্ব গ্রহন করিবেন না।

ঘটনা প্রসংগে উল্লেখ্য যে – তাহার পূত্র নাজমুল বর্তমানে ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়নরত ছাত্র এবং বাল্য জীবন থেকে আধুনিক জীবন যাত্রা ও বৈজ্ঞানিক সমাজ ব্যবস্থার প্রতি অত্যন্ত আস্থাবান। তাহার নিকটতম ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে – সে অত্যন্ত মেধাবী ও শৈসব থেকে ধর্ম বিদ্দ্যেশী চিন্তায় মানুষিকভাবে গড়ে উঠে এবং এই চিন্তা চেতনায় মূল উস্কানিদাতা তাহার প্রাইভেট শিক্ষক ও কিছু সহপাঠি বন্ধুমহল। নাজমুল বাল্য জীবন থেকে বিভিন্ন ধর্মীয় ও নাস্তিকিমনা বই পুস্তক নিয়ে পড়াশুনা ও ধর্ম কেন্দ্রীক বিষয় নিয়ে লােকজনের সাথে সমালােচনা/গবেষনা ইত্যাদি করতে খুব পছন্দ করেন। বিশেষ করে ধর্ম বিদ্দ্যেশী লেখক হুমায়ুন আজাদসহ বিভিন্ন দেশী বিদেশী জ্ঞানি/গুনি ব্যক্তিদের লেখা বই/উপন্যাস ইত্যাদি পড়াটাই তাহার একটি নেশা এবং যেকোন পরিবেশে উত্তেজনাকর তর্কবির্তক সৃষ্টি করাটাই তাহার অভ্যাস।

যার ফলে ধীরে ধীরে এইরুপ চিন্তা চেতনায় ধর্ম বিদ্দ্যেশী মনোভাব তার মধ্যে প্রভাব বিস্তার করতে থাকে এবং প্রায়ই এলাকায় ধর্মভীরু লােকজনের সাথে ধর্ম অবমাননাকর বিষয় নিয়ে হিংসাত্বক বির্তকীত পরিস্থিতির সৃষ্টি ঘটায়। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায়ন আবস্থায় নিজেই বিভিন্ন লিখনী প্রচারনার সাথে জড়িয়ে ইসলাম ধর্ম বিরােধী কটুক্তি ও কঠোর সমালােচনা চালাতে থাকলে পিতা মাতা আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশী তার এইরুপ নেক্কার ধর্মদ্রোহীতার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ ও সাবধান করেন।

কিন্তু সে এতােই বেসামাল ও বিপথ গামী হয়ে পড়েছে যে, যার খেসারত হিসেবে আজ তাকে পিতা-মাতার সবকিছু থেকে বিতাড়িত/ত্যাজ্য ও সমাজচ্যুত সহ ধর্মদ্রোহী মামলায় অভিযুক্ত আসামী হয়ে আত্নরক্ষার জন্য ফেরারী জীবন যাপন করতে হচ্ছে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *