ধানের শীষের ভারে নৌকা ডুবে যাবে: মওদুদ

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ বলেন, আজকে জামাতী ইসলামসহ সকল শরিক দল ধানের শীষে ভোট করছে। এটি একটি বিরাট জাতীয় ঐক্য। এ ঐক্যের সামনে নৌকা কখনও ভাসতে পারবে না। ধানের শীষের ভারে নৌকা ডুবে যাবে। এই নির্বাচনী প্রচারণায় আমাদের প্রথম আনুষ্ঠানিক পথ সভা। অনেক বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে, অনেক প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে আপনার এখানে সমবেত হয়েছেন। কেন? কারণ আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই। আমরা আমাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চাই। আমরা দেশে আইনের শাসন দেখতে চাই। আমরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা দেখতে চাই। আমরা সকল নাগরিকের সমান অধিকার দেখতে চাই। এই জন্য আজকে এই নির্বাচনী প্রচারনার প্রথম সভা। তিনি মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় তার নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী-৫ আসনের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট সরকারী কলেজ গেইটে এক পথসভায় এ কথাগুলো বলেন। এ সময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আবদুল হাই সেলিম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম সিকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়া, উপজেলা জামাতী ইসলামের আমির অধ্যক্ষ বেলায়েত, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোশারফ হোসেন, জেএসডি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলা উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের জেলা কমিটির সদস্য মাস্টার আবদুল আউয়াল, আবু হাসান মোহাম্মদ নোমান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মওদুদ আরো বলেন, নির্বাচনের কোন সুষ্ঠু পরিবেশ নাই। বিন্দু মাত্র নাই। কারণ যে দল ক্ষমতায় আছে তারা গণতন্ত্রে বিশ^াস করে না। সে জন্যই তারা পথে পথে আপনাদের বাধা দেয়। আমাদের সভা করতে দেয় না। অনুমতি থাকা সত্ত্বেও এই আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের তান্ডবলীলায়, তাদের সহিংসতায় কবিরহাটে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। চরহাজারীর মিছিলের উপর গুলি হামলা হয়েছে। বাংলাবাজার থেকে আগত মিছিলের তারা হামলা চালিয়েছে আজকে প্রত্যেকটি জায়গায় যেখানে থেকে মানুষ আসার চেষ্টা করেছে তাদের উপর আক্রমন করেছে। এটা তারাই করে যারা জানে তাদের কোন জনপ্রিয়তা নাই। আজকে যদি তাদের জনপ্রিয়তা থাকতো তাহলে তারা এই আচরণ করত না। রাত্রে বেলায় বোমা ফোটায়, আমার বাড়ীর সামনেও বোমা ফোটায়। যারা বোমা ফোটায়, যারা অন্যের কাজে বাধা দেয়, যারা গণতন্ত্রের অধিকার হরণ করতে চায় তারা জনপ্রিয় নয়। তাদের পিছনে দেশের মানুষ নাই। তারা জানে বলেই এ ধরনের বক্তব্য রাখেন। তিনি আরো বলেন, গতকাল মন্ত্রী বাহদুর যখন এখানে আসেন বিশাল বহর নিয়ে আসেন। তার আগে পিছে পুলিশ থাকে। অথচ আইনে আছে যে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা হওয়ার পর কোন মন্ত্রী, কোন এম.পি- সরকারে কোন সুযোগ-সুবিধা নিতে পারবে না। কিন্তু তারা আইনের উর্দ্ধে। যারা আইন ভঙ্গ কর তাদের বেলায় আইন প্রয়োগ করা যায় না। যারা আইন প্রয়োগকারী আছেন তারা নিশ্চুপ থাকেন। তাদের উপায় নাই যারা আইন লঙ্গন করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। কিন্তু আমাদের বেলায় তারা খুব সজাগ। আমাদের নেতাকর্মীদের উপর আক্রমণ করে আহত করেছে। পথে পথে তাদের উপর আঘাত হেনেছে। লম্বা তালিকা আছে আমার কাছে যাদের উপর হামলা হয়েছে। কিন্তু আজকে আমরা জানাতে চাই এ নির্বাচনী এলাকার জনগণই রায় দিবে। কোন প্রশাসন, সিভিল প্রশাসন বা নির্বাচণ কমিশন যত শক্তি আছে কারো পক্ষে সম্ভবপর নয় জনগনের এ আশা-আকাংখার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে। ২০১৪ সালে নির্বাচন হয়েছে। কি নির্বাচন হয়েছে? আপনারা ভোট দিতে গিয়েছিলেন? ভোট বিহীন মন্ত্রী, ভোটবিহীন একজন এমপির ভোট নাই, ভোট নাই। আজকে মাঠে তাদের ভোট নাই। আগেও ছিল না, এখনও নাই। তিনি বলেন, গত ১০ বছর তিনি মন্ত্রী ছিলেন। তার আগে আরো ৫ বছর তিনি মন্ত্রী ছিলেন। সড়ক মন্ত্রী ছিলেন। আমাদের এলাকায় সড়কের অবস্থা কি রকম আপনারাই বলবেন। আজকে গ্রামেগঞ্জে সড়কের যে দুরাবস্থা সেটার বর্ণনা আপনারা দিতে পারবেন। আজকে উন্নয়নের কথা বলে। আমি নাকি কিছুই করি নাই। আমি তার উত্তরে বলব- আপনি ১৫ বছর মন্ত্রী ছিলেন এলাকার কোন উন্নয়ন আপনি করেন নাই। এই যে বিদ্যুৎ দেখছেন আপনারা। বসুরহাটে ২/৩ টা দোকান ছিল। সেই জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে তিনি আমাকে বলেছিলেন আপনার এলাকায় যাব। বসুরহাট হাইস্কুলে তিনি সভা করেছিলেন ঘরের মধ্যে। তখন তিনি বলেছিলেন এ এলাকায় কি করতে পারি? তখন মুরব্বিরা বলেছেন আপনি আমাদের এই বাজারের রাস্তাটা একটু পাকা করে দেন। কত লাগবে? বলে ৩ লাখ টাকা। তখনকার সময়। তখন শহীদ জিয়াউর রহমান ৫ লাখ টাকা দিলেন। ৩ লাখ টাকা রাস্তার জন্য, ২ লাখ টাকা স্কুল-কলেজের জন্য। সেই দিন থেকে এই এলাকার উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। মাইজদীতে গ্যাস যাওয়ার আগে, লক্ষীপুরে গ্যাস যাওয়ার আগে, চৌমুহনীতে গ্যাস যাওয়ার আগে এই এলাকায় কে গ্যাস সংযোগ এনেছিল? আমি এনেছিলাম। শুধু এখানে নয়, এ এলাকার আশে পাশে অন্যান্য ইউনিয়ন গুলোতে ও গ্যাসের লাইন সম্প্রসারনের ব্যবস্থা আমি গ্রহণ করেছিলেন এবং আমি সফল হয়েছিলাম। কিন্তু তারপর আর কোন সম্প্রসারণ হয় নাই। মওদুদ আরো বলেন, এই বসুরহাটে পৌরসভা আমি করছি। তৃতীয় শ্রেণী থেকে প্রথম শ্রেণীতে করেছি আমি। এই হাসপাতাল ৫২ শয্যা বিশিষ্ট আমি করেছি। এই ফায়ার ব্রিগ্রেড আমরা দেওয়া, এই উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স আমি করেছি। মুজিব মহাবিদ্যালয় সরকারীকরণ আমি করেছি। বসুরহাটের সরকারী করণ আমি করেছি। আপনি ১৫ বছর মন্ত্রী ছিলেন। একটা অতিরিক্ত কলেজ, একটা অতিরিক্ত স্কুল জাতীয় করণ করতে চেয়েছেন কিনা তার জবাব দেন। পেরেছেন উনি? আজকে সোনাপুর থেকে কবিরহাট হয়ে বসুরহাট। বসুরহাট হয়ে চাপরাশিরহাট, নতুন সাঝির হাট, একেবারে আবদুল্লাহ মিয়ারহাট পর্যন্ত এসব রাস্তা সড়ক বিভাগে এনেছে কে? আমি এনেছি। জাতীয় বাজেট থেকে বরাদ্দ দিয়ে এ রাস্তাগুলো করা হয়েছিল। তিনি সড়কের মন্ত্রী। যদি এ এলাকার প্রতি সামন্যতম দরদ থাকতো তাহলে তিনি এলাকার রাস্তাগুলো ফোর লাইন করতে পারতেন। কিন্তু তিনি করেন নাই। তিনি বড় বড় সেতুর কথা বলেন। সেতু এখানে আমাদের দরকার নাই। আমাদের দরকার নতুন বড়-প্রশস্ত রাস্তা। এই কবিরহাট উপজেলা আমি করেছি। কবিরহাটের যে স্বাস্থ্য কমপ্লেস্ক এটা আমার করা। কবিরহাট কলেজ আমি করেছি। কবিরহাট কলেজ সরকারীকরন আমি করেছি। তিনি আর কোন স্কুল-কলেজ কি সরকারীকরন করেছেন একটু জিজ্ঞেস করবেন। উন্নয়নের কথা বলেন তিনি। আমি নোয়াখালী জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় করেছি। এই জজকোর্টের দালান আমি করেছি। ঢাকা থেকে নোয়াখালী বিরতিহীন ট্রেন উপকূল আমি চালু করার ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু যখন উনি এখানে দাঁড়িয়ে বলেন- মওদুদ সাহেব এলাকার জন্য কিছুই করেন নাই। এই যে বিদ্যুৎ, নতুন বাজারের বিদ্যুৎ, চরএলাহী বিদ্যুৎ, সিরাজপুরের বিদ্যুৎ আমি করেছি, আমি। উপকূলে বড় বড় বেড়ী বাধ আমার করা। এলাকায় যত উন্নয়নের কাজ হয়েছে সব কিছুর ভিত্তি আমার নিজের হাতে তৈরি করা। তিনি আমি যা করেছি তা দেখে কিছ কি করেছেন? মুছাপুরে ২৮০ কোটি টাকার রেগুলেটর খালেদা জিয়াকে হেলিকপ্টারে এনে আমি উদ্বোধন করিয়েছি। আজকে বাংলাদেশের মানুষ এতো বোকা না। গত ১০ বছরে এ জালিম সরকার মানুষের ভোটের অধিকার হরন করেছিল। তাদের আমল নামায় এক নম্বর সাফল্য হল- বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। দুই নম্বর হল- মানুষের ভোটের অধিকার হরন করেছে। ২০১৪ সালে আপনারা কি ভোট কেন্দ্রে গেছিলেন? তারা ভোট ছাড়া মন্ত্রী, ভোট ছাড়া এমপি। তিনি আরো বলেন, আমি এলাকায় অনেক যুবককে চাকুরী দিয়েছি। কিন্তু কোন পয়সা নেই নাই। এই আমলে যাদের চাকুরী হয়েছে তাদের কর্মীদের একজন পিয়নের চাকুরীর জন্য ৫ লাখ টাকা নিয়েছে। এক জন নার্সের জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছে। টাকার বিনিময়ে চাকরী দিয়েছেন, বিনা পয়সায় চাকরী দেন নাই। ইনশাআল্লাহ আমরা ক্ষমতায় গেলে তরুণদের জন্য বিনা দলিলে ঋণের ব্যবস্থা করে দেব যেন তারা তথ্য প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে ইনভেস্টমেন্ট করে আতœকর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে। এ এলাকায় শান্তি ফিরে আনব, আমরা সন্ত্রাস বন্ধ করব। মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ করবো। গত ১০ বছরে সারা বাংলাদেশে মাদকের সয়লাব হয়ে গেছে আমার তরুন সমাজ। আমি নির্বাচিত হলে এ এলাকায় রাস্তাগুলো ফোর লাইন করে দেব। তিনি আরো বলেন, মিথ্যা কথা বলে, প্রত্যারনা করে মানুষের ভোট নিয়েছেন ২০০৮ সালে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবেন আপনাদেরকে। এখন চালের কেজি ৬০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে এই সরকারের আমলে। তিনি বলেছিলেন ঘরে ঘরে চাকরী দেবেন। পেয়েছেন আপনারা ঘরে ঘরে চাকরী? ঘরে ঘরে এখন ইয়াবা পাওয়া যায়। আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীর বাড়ীতে যাবেন ইয়াবা পাবেন। আর বলেছিল বিনা পয়সায় সার দিবেন। সারের দাম এখন কত আপনারা বলেন। মিথ্যা কথা বলে যারা ভোট নিতে চায় তাদেরকে ভোট দেবেন না। ঘরোয়া পরিবেশেও আমাদের সভা করতে দেয় নাই। ৫ বছর আমাদের জনগণের কাছে যেতে দেয় নাই্ পুলিশ দিয়ে আমার বাড়ী ঘেরাও করে রেখেছিলেন মন্ত্রী সাহেব। ঈদের দিনেও আমাকে বাড়ী থেকে বেরোতে দেন নাই। কেন? তার একটি মাত্র কারণ: আপনার কোন জনপ্রিয়তা নাই এই এলাকায়। সব কিছু আছে, কিন্তু ভোট নাই। হাজার হাজার কোটি টাকা আছে, কিন্তু ভোট নাই। তিনি আরো বলেন, যদি গণতন্ত্র চান তাহলে আসেন আপনাদের ভোট আপনারা করেন, আমাদের ভোট আমরা। আর যদি হাঙ্গামা করেন, ব্যারিকেড সৃষ্টি করেন তাহলে বুঝে নিতে হবে যে নির্বাচনে পরাজয় এখনই গ্রহণ করে ফেলেছেন। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা রাজি না। কারণ আপনারা জানেন সু-পথে গেলে ভোট পাবেন না। সেজন্য আপনারা এ সন্ত্রাসী পথ বেচে নিয়ে বাধা সৃষ্টি করছেন। আজকে অপহরণ, খুন, ঘুম, হত্যা, ধর্ষন, বাড়ী লুট, ঘর লুট, বাজার লুট, এই ক্ষেতের ধান লুট এমন জায়গা নাই যেখানে এসব কাজ আপনারা করেন নাই। এর জবাবদিহী করতে হবে ইনশাআল্লাহ এবং এর বিচার হবে। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে মামলা রাত্রী বেলা তারা বাড়ীতে থাকতে পারে না এবং তাদের নামে মিথ্যা মামল দিয়ে অনেক নির্যাতন করেছেন। ইনশাআল্লাহ নির্বাচনের পর এর বিচার করা হবে। তিনি বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনে ধানের শীষ নৌকার চাইতে ২৯ হাজার বেশী ভোট পেয়েছিল। এটা হল কোম্পানীগঞ্জে রেকর্ড। আগামী নির্বাচনে তার চাইতেও অনেক বেশি ভোট ধানের শীষ পাবে। আজকে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্ধী করে রেখেছেন কেন? কারণ তিনি বাংলাদেশের সবচাইতে জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেত্রী। তাকে বন্ধী রেখে নির্বাচন করতে চায়। এ নির্বাচন হল খালেদা জিয়ার মুক্তির নির্বাচন। একটা ভোট দিবেন বেগম জিয়া মুক্তি পাবে। তার মুক্তির সাথে গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাওয়ার সম্পর্ক জড়িত। একটা কথা আজকে বলি- এ নির্বাচনে যদি তারা জোর করে জয় লাভ করে তাহলে বেগম জিয়াকে তারা বিষ খাইয়ে মেরে ফেলবে। এটা মনে রাখবেন। এটা কি আপনার চান? তাহলে ঘরে ঘরে মা-বোনদের, বাপ-ভাইদের জানাবেন। একটা ভোটের জন্য আমরা বেগম জিয়াকে বাঁচাতে পারি। সেজন্য আমরা বলেছি- খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, ধানের শীষে ভোট চাই।
মওদুদ আরো বলেন, মাওলানা সাঈদী সাহেব এর কথা আমরা কখনও ভুলতে পারবো না। আজকে তিনি আমৃত্যু জেলখানায় আছেন। ইনশাআল্লাহ আমরা জয় লাভ করলে তারও মুক্তি হবে। আমি পুলিশ প্রশাসনকে বলব- আল্লাহর ওয়াস্তে নির্বাচনের এ মহুর্তে গ্রেফতার বন্ধ করুন। আমাদের ছেলেদের নির্যাতন বন্ধ করুন। আপনারা আমাদের বন্ধু, আমাদের ভাই। এই নির্বাচনের সময় আপনার নিরপেক্ষ থাকার কথা। আমাদের সঙ্গে যেকরম ব্যবহার করবেন সরকারী দলের সঙ্গেও একই ব্যবহার করবেন। এটাই আমরা আশা করি। নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিভিল প্রশাসনের অফিসারদের বলি নির্বাচনে নিরপেক্ষ থাকবেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন- কোন কেন্দ্র কাউকে দখল করতে দেব না এবং ভোটে যারা বাধা দিবে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। আমার ভোট আমি দিব, লড়াই করে ভোট দেব। যারা আজকে আমাদের পথে পথে বাধা দিয়েছেন তাদের তালিকা তৈরি করা হবে এবং পুলিশ প্রশাসনকে বলব- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *