খোকনকে গুলি করায় সোনাইমুড়ী থানার ওসি প্রত্যাহার

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি: বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও নোয়াখালী-১ আসনের বিএনপি’র প্রার্থী ব্যারিস্টার এ.এম. মাহবুব উদ্দিন খোকনকে গুলি করে আহত করার অভিযোগে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবদুল মজিদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াছ শরিফ বিপিএম-পিপিএম (সেবা) স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রত্যাহারের আদেশ দেয়া হয়। একই দিন সন্ধ্যায় আবদুল মজিদ সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হকের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সাংসদ ব্যারিষ্টার এ.এম মাহবুব উদ্দিন খোকন তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সোনাইমুড়ী বাইপাস সড়কে গণসংযোগ করা কালে আ’লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি আবদুল মজিদ ঘটনাস্থল পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য রাবার বুলেট ছুড়ে। এতে বিএনপি যুগ্ম মহা সচিব ব্যারিষ্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, তার সহকারী মোঃ রবেলসহ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের ছেলে ব্যারিষ্টার সাকিব মাহবুব রাফি প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। নোয়াখালী-১ আসনের নির্বাচন সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করার জন্য ওসিকে প্রত্যাহারের দাবীও জানানো হয়। ওই ঘটনায় নির্বাচন কমিশন ওসি আবদুল মজিদকে প্রত্যাহারের জন্য বৃহস্পতিবার জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেয়। নির্দেশ পেয়ে পুলিশ সুপার তাৎক্ষনিকভাবে মজিদকে সোনাইমুড়ী থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
আবদুল মজিদ চলতি বছর ৩১ অক্টোবর ওসি হিসেবে সোনাইমুড়ী থানায় যোগদান করেন।
এ ব্যাপারে ওসি আবদুল মজিদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ওসি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দিয়েছেন। নোয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াছ শরীফ ওসির প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ পাওয়ার পর তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *