সুবর্ণচরে নির্যাতিতা গৃহবধুর খোঁজ-খবর নিতে ইসলামী আন্দোলনের নেতারা

সুবর্ণচর প্রতিনিধি: ভোটের দিন রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীর ওপর মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বরোচিত রোমহর্ষক ঘটনায় পারুল বেগমকে দেখতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আশরাফ আলী আকনের নেতৃত্বে আজ বুধবার সকাল ১১ টায় নোয়াখালী সদর হাসপাতালে আসেন নেতৃবৃন্দ। অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন পারুল বেগমকে দেখে বলেন, জাতি হিসেবে এই ঘটনা সবাইকে অত্যন্ত হেয় প্রতিপন্ন করেছে। কোন গণতান্ত্রিক দেশে এমন ঘটনা কল্পনা করা কঠিন। এই ঘটনা দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, মৌলিক মানবাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হুমকির সম্মুখীন করেছে বলে মন্তব্য করেন ।
তিনি আরো বলেন, এই লজ্জা শুধু পারুল বেগমের নয়, সমগ্র জাতির। সে নির্যাতিত নয় বরং নির্যাতিত হয়েছে মানবাধিকার। ইসলামী আন্দোলন রাজনৈতিক উপদেষ্টা এসময় ওই নারীর চিকিতসার খোজ খবর নেওয়ার পর তাকে নগদ অর্থ সহায়তা দেন। অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের অধিকার থেকে আওয়ামী লীগ মানুষকে বঞ্চিত করেছে। তাদের প্রতারিত করেছে। যেহেতু তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে, মানুষের বিরুদ্বে অবস্থান নিয়েছে সেজন্য তারা এখন শত্রুতে পরিণত হয়েছে। জনগণের বিরুদ্বে আওয়ামী লীগের অবস্থান নেওয়া দেশের রাজনীতিতে একটা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সৃষ্টি করবে। আমরা মনে করি, একটা অন্ধকার যুগে প্রবেশ করল। বাংলাদেশকে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করার তাদের যে নীল নকশা, সেদিকে তারা এগিয়ে গেল। হাসপাতালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা মাও.শহীদুল ইসলাম কবীর, জেলা সভাপতি হাফেজ মাও.নজীর আহমাদ, মাও.শহীদুল ইসলাম, মাও.ফিরোজ আলম, আবদুল হান্নান।
শহীদুল ইসলাম কবির বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচনের পর বিরোধী সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অতীতেও দেখা গেছে। সকালে ঢাকার কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে রওয়ানা হন ইসলামী আন্দোলন নেতারা। নোয়াখালীতে পৌছে সদর হাসপাতালে পারুল বেগমকে দেখে সুবর্ণচর চরবাগ্যা পারুল বেগমের গ্রামের বাড়ীতে যান নেতৃবৃন্দ।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *