চাঁদা না যাওয়ায় চেয়ারম্যানের বাড়িতে গুলি

সোনাইমুড়ী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে চাঁদা না দেওয়ায় সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন চৌধুরীর বাড়ীতে গুলির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত ২ টার দিকে সোনাপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর চেয়ারম্যান বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও চেয়ারম্যান সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ কালিকাপুর মসজিদের টয়লেট নির্মাণে ঠিকাদার আমির হোসেনেরর কাছে ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সালাউদ্দিন ২০-৩০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে সন্ত্রাসীরা তার উপর হামলা চালায়। এই সময় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন চৌধুরী সন্ত্রাসীদের বাঁধা দেয়। ঠিকাদার কামরুল হাসান আহত হলে তাকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কামরুজ্জামান বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করলে সালাউদ্দিনকে রবিবার দুপুরে আটক করে থানা পুলিশ। একই দিন বিকেলে সোনাইমুড়ী থানায় ৫০-৬০ জন আসামীকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গালমন্দ করে স্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি করে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে। এ ঘটনার জের ধরে সোমবার রাত ২ টার দিকে ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের বাসভবনে সন্ত্রাসীরা গুলি ও ককটেল নিক্ষেপ করে হামলা চালায়। স্থানীয় লোকজন গুলির শব্দ শুনে এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি পিস্তল উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জয়াগ ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আকবর পলাশ, নদনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, চাষিরহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, নাটেশ্বর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কবির হোসেন খোকন, আমিশাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাঁধা দেওয়ার জন্য সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করেছে। সোনাইমুড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সামাদ বলেন, সকল আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে।

Share Button

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *