শিরোনাম :
ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে নোয়াখালীতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডাক্তারি পরামর্শ কেন্দ্রের উদ্বোধন শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আওয়ামীলীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে।-বরকত উল্যাহ বুলু এমপি   বেগমগঞ্জে মাদক বিরোধী সমাবেশ  নোয়াখালীতে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্যে বন কর্মকর্তাকে বদলি হাতিয়ায় সেই স্কুলে ফের ৯ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য নোয়াখালীতে ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত নোয়াখালীতে জমি নিয়ে বিরোধে আগ্নেয়াস্ত্রসহ হামলা: গ্রেপ্তার ৩ নোয়াখালীতে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের উপর বড় ভাইয়ের হামলা, মারধর সেনবাগে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৭৩ শিক্ষার্থীকে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের সংবর্ধনা দুই মেধাবী শিক্ষার্থী পেলেন স্বর্ণপদক

নোয়াখালীতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

  • আপডেট সময় : রবিবার, জুন ১৪, ২০২৬
  • 351 পাঠক

জাতীয় নিশান প্রতিবেদক:  

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া উপজেলায় ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক খোরশেদ আলমকে ক্লোজড (প্রত্যাহার) করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে তাকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, কিশোরীর মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্না করতেন। কিশোরী সেখানে মাঝে-মধ্যে যাতায়াত করত। খোরশেদ আলম কিশোরীকে প্রায় বাসার তিনতলার বারান্দা থেকে ডাকতেন। এক সময় কিশোরীকে বাসার ঘর ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া এবং বিছানা ঠিক করার অজুহাতে ডেকে নেওয়া হয়। বাসায় নিয়ে খোরশেদ তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। কিশোরী এতে বাধা দিলে তাকে ও মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

কিশোরীর মা বলেন, আমার পুলিশের হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে জানিয়েছিলাম। লিখিত জবানবন্দি দিয়েছি। স্থানীয় দুই জন পুলিশের পক্ষ নিয়ে আমাদের কাছে থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছিল। আমরা এখন ভয়ে বাড়িতে যেতে পারি না। গত চার মাস ধরে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানা যায়নি। ফোনে কল দিয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, তাৎক্ষণিক ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।

নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....