
শনিবার (১৩ জুন) রাতে তাকে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, কিশোরীর মা ও ভাই জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নাবান্না করতেন। কিশোরী সেখানে মাঝে-মধ্যে যাতায়াত করত। খোরশেদ আলম কিশোরীকে প্রায় বাসার তিনতলার বারান্দা থেকে ডাকতেন। এক সময় কিশোরীকে বাসার ঘর ঝাড়ু দেওয়া, কাপড় ধোয়া এবং বিছানা ঠিক করার অজুহাতে ডেকে নেওয়া হয়। বাসায় নিয়ে খোরশেদ তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। কিশোরী এতে বাধা দিলে তাকে ও মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
কিশোরীর মা বলেন, আমার পুলিশের হাতিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারকে জানিয়েছিলাম। লিখিত জবানবন্দি দিয়েছি। স্থানীয় দুই জন পুলিশের পক্ষ নিয়ে আমাদের কাছে থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছিল। আমরা এখন ভয়ে বাড়িতে যেতে পারি না। গত চার মাস ধরে আমরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানা যায়নি। ফোনে কল দিয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, তাৎক্ষণিক ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী কিশোরী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়নি।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক: ইয়াকুব নবী ইমন, মোবাইল: : ০১৭১২৫৯৩২৫৪, ইমেইল-: jatiyanishan@gmail.com, IT Support: Trust Soft BD
Copyright © 2026 দৈনিক জাতীয় নিশান. All rights reserved.