শিরোনাম :
চৌমুহনীতে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে মৎসজীবি দলের মিছিল ও লিফলেট বিতরণ নোয়াখালীতে ডা: মোস্তফা -হাজেরা ফাউন্ডেশন মেধা বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তি ও সনদ প্রদান    বেগমগঞ্জে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাংবাদিকদের সাথে খেলাফত মজলিস প্রার্থীর মত বিনিময় আজ বিকালে হাতিয়ার নির্বাচনী সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন তারেক রহমান লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের ৮ দিন পর কলেজছাত্রের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, একজন আটক বেগমগঞ্জে মসজিদের খতিবকে রাজকীয় সম্মাননা বেগম খালেদা জিয়া আমাদের কাছে একটি আদর্শ।-বরকত উল্যাহ বুলু ২৩ বছর পর নোয়াখালীতে আসছেন তারেক রহমান নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষণা

নোয়াখালীতে খালেদা জিয়ার নানা ম্মৃতিচিহৃ, শোকে মুহ্যমান জেলাবাসী

  • আপডেট সময় : বুধবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
  • 132 পাঠক

ইয়াকুব নবী ইমন:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নোয়াখালীতে রেখে গেছেন নানা ম্মৃতিচিহৃ। তাঁর মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান জেলাবাসী। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখা মহিয়সি এই নারীর প্রয়ানে শোকাহত দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও। এদিকে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন প্রোগ্রামে খালেদা জিয়া একাধিকবার নোয়াখালী সফর করেছিলেন। রেখে গেছেন সৃষ্টিশীল কর্ম। যা আজো মানুষ মনে রেখেছে এবং খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে আজ  সেগুলো আলোচনায়। বিগত দিনে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা কালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০০৬ সালের ৬ এপ্রিল বেগম খালেদা জিয়া নোয়াখালীর সুবর্নচর উপজেলা পরিষদের ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করেন। পরবর্তিতে এখন সেটি পূর্নাঙ্গ উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়াও রাজনৈতি ও সামাজিক একাধিক প্রোগ্রামে খালেদা জিয়া সোনাইমুড়ী উপজেলা জয়াগ গান্ধি আশ্রম, চৌমুহনী রেলওয়ে স্টেশন, চৌমুহনীর চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকা গমন করেন। সেই সাথে উদ্যোগ নেন নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের। যা এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন অবদান রেখে চলেছে।  নোয়াখালীবাসীর জন্য বেগম খালেদা জিয়ার আলাদা একটা টান ছিলো। যার জন্য তিনি সুযোগ পেলেই ছুটে আসতে নোয়াখালী। মুলত খালেদা জিয়ার নানামূখি কর্মতৎপরতায় এ অঞ্চল বিএনপি ও  ধানের শীষের ঘাঁটিতে পরিণত হয়। যা এখনো বিদ্যমান।
ম্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু গণমাধ্যমকে বলেন, বেগম জিয়ার আসে আমাদের অনেক ম্মৃতি। রাজনৈতিক উত্থান পতনে কখনো তিনি বিচলিত হতেন না। দেশের জন্য জীবণ দিতে সব সময় প্রস্তুত ছিলেন। দেশের মানুুষকে ভালোবেসে তিনি কখনো দেশ ছেড়ে যাননি। এটা একটি বিরণ উদাহরন। বিগত সময়ে বিভিন্ন ভাবে রাষ্ট্রিয় নিপিড়, ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে তিনি টিকে ছিলেন সিসাঢালা প্রাচিরের মতো। দেশের জন্য হারিয়েছেন স্বামী, সন্তান। বছরের পর বছর মিথ্যা মামলায় জেল খেটেছেন। তবুও ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ সরকারের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি মাথা উচু করেই দিবায় নিয়েছেন পৃথিবী থেকে। পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তকালের যাত্রায়। তিনি বেঁচে থাকবেন বাংলাদেশের লক্ষ কোটি মানুষের হৃদয়ে।
এদিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সারা দেশের ন্যায় নোয়াখালীতেও পালিত হচ্ছে রাষ্ট্রিয় শোক। শোকাহত জেলাবাসী। জেলাবাসী যেন হারিয়েছে খুব কাছের কোন আপন জন।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে নোয়াখালী প্রেসক্লাব, চৌমুহনী প্রেসক্লাব,  নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরাম, দৈনিক জাতীয় নিশান পত্রিকার সম্পাদক ইয়াকুব নবী ইমনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....