শিরোনাম :
  নোয়াখালীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ যৌতুকের টাকা কম হওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইতালিতে স্বপ্নের সংসারে নৃশংস পরিণতি, নোয়াখালীতে স্ত্রী-কন্যাসহ বাবুলের দাফন সম্পন্ন রোটারী ক্লাব অফ বেগমগঞ্জের অভিষেক অনুষ্ঠিত বেগমগঞ্জে  অটোরিকশা চালককে ধরে নিয়ে গুলি বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, অল্পের জন্য রক্ষা পেলো ৪৮ জেলের জীবণ নোয়াখালীতে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বৃক্ষ রোপন ও মাছের পোনা অবমুক্ত  গ্যাস সংকটের অজুহাত: নোয়াখালীর বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিক্সা ভাড়ায় নৈরাজ্য, জিম্মি যাত্রীরা কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন ধনী জেলা নোয়াখালী. ধ্বস শিক্ষা ব্যবস্থায়

নোয়াখালীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায়, স্ত্রী তিন সন্তানের জননীকে তালাক

  • আপডেট সময় : সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
  • 715 পাঠক
ইয়াকুব নবী ইমন:
স্বামীর পচন্দের ম্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী তিন সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম ( ২৭) কে তালাক দিয়েছেন স্বামী মোঃ ইদ্রিসের (৪০)।  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের দক্ষিন কেশারপাড়  আকল  আলী মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোঃ ইদ্রিস স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান কাপ পিরিচ মার্কার ভোট করেন । ভোটের দিন ইদ্রিস স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে পাঠায়। কিন্তু ফাতেমা কেন্দ্রে গিয়ে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেন। সে ভোট দিয়ে কেন্দ্রে থেকে বের হয়ে বাড়িতে পৌছলে স্বামী তাকে জিজ্ঞেসা করেন কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিয়েছে কিনা। প্রতি উত্তরে স্ত্রী বলেন, না সে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়েছে। এতে সে স্ত্রীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।  এরেই মধ্যে ভোট গননা শেষে দেখা যায় কাপ পিরিচ মার্কার প্রাথী পরাজিত হয়।
তিনদিন পর রবিবার ইদ্রিস বাড়িতে ফিরে আসে। এ সময় অসুস্থ মেয়েক ডাক্তার দেখানোর জন্য স্ত্রী স্বামী মোঃ ইদ্রিসকে বললে, সে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে বলে তুই যাকে ভোট দিয়েছিস ওই বাপদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে চিকিৎসা করা। এক পর্যাযে সে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়। বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী তার পিতার বাড়ি কেশারপাড় ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থান করছে। তালাকের বিষয়টি ফাতেমা বেগম নিজে নিশ্চিত করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ ইদ্রিসের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এ কারণে তান বক্তব্য নেওয়া সম্বভ হয়নি। তবে,সরেজমিনে তার বাড়িতে  গেলে ইদ্রিসের পিতা মোঃ রফিক বলেন,ভোট নিয়ে তালাকের ঘটনা ঘটেনি। তবে,তৃতীয় বিয়ে করায় ও মাদকাক্ত হয়ে পড়ার কারনে সাংসারিক ঝড়গার জেরে ওই তালাকের ঘটনাটি ঘটেছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার ওসি মোঃ আবুল বাশার বিষয় কেউ থানায় অবহিত করেনি বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....