শিরোনাম :
ফেনীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক নোয়াখালীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায়, স্ত্রী তিন সন্তানের জননীকে তালাক প্রতিক্ষায় নোয়াখালীবাসী, মন্ত্রী হতে পারেন নোয়াখালীর চার বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। নোয়াখালীতে ৩৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নোয়াখালীর ৫টি আসনে ধানের শীষ, একটিতে এনসিপি জয়ী চৌমুহনীতে ধানের শীষের পক্ষে মিছিল ও লিফলেট বিতরণ নোয়াখালী-১ আসনে জমজমাট ভোটের মাঠ ফসলি জমি রক্ষায় কঠোর অবস্থানে বেগমগঞ্জের প্রশাসন চৌমুহনীতে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে মৎসজীবি দলের মিছিল ও লিফলেট বিতরণ নোয়াখালীতে ডা: মোস্তফা -হাজেরা ফাউন্ডেশন মেধা বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তি ও সনদ প্রদান

নোয়াখালীতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ায়, স্ত্রী তিন সন্তানের জননীকে তালাক

  • আপডেট সময় : সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
  • 48 পাঠক
ইয়াকুব নবী ইমন:
স্বামীর পচন্দের ম্বতন্ত্র প্রার্থীর কাপ-পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে বিএনপির ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী তিন সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম ( ২৭) কে তালাক দিয়েছেন স্বামী মোঃ ইদ্রিসের (৪০)।  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নের দক্ষিন কেশারপাড়  আকল  আলী মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোঃ ইদ্রিস স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান কাপ পিরিচ মার্কার ভোট করেন । ভোটের দিন ইদ্রিস স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে পাঠায়। কিন্তু ফাতেমা কেন্দ্রে গিয়ে কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট না দিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেন। সে ভোট দিয়ে কেন্দ্রে থেকে বের হয়ে বাড়িতে পৌছলে স্বামী তাকে জিজ্ঞেসা করেন কাপ পিরিচ মার্কায় ভোট দিয়েছে কিনা। প্রতি উত্তরে স্ত্রী বলেন, না সে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়েছে। এতে সে স্ত্রীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।  এরেই মধ্যে ভোট গননা শেষে দেখা যায় কাপ পিরিচ মার্কার প্রাথী পরাজিত হয়।
তিনদিন পর রবিবার ইদ্রিস বাড়িতে ফিরে আসে। এ সময় অসুস্থ মেয়েক ডাক্তার দেখানোর জন্য স্ত্রী স্বামী মোঃ ইদ্রিসকে বললে, সে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে বলে তুই যাকে ভোট দিয়েছিস ওই বাপদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে চিকিৎসা করা। এক পর্যাযে সে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেয়। বর্তমানে তালাক প্রাপ্ত স্ত্রী তার পিতার বাড়ি কেশারপাড় ৭নং ওয়ার্ডে অবস্থান করছে। তালাকের বিষয়টি ফাতেমা বেগম নিজে নিশ্চিত করেন।
এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ ইদ্রিসের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দেওয়া হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় এ কারণে তান বক্তব্য নেওয়া সম্বভ হয়নি। তবে,সরেজমিনে তার বাড়িতে  গেলে ইদ্রিসের পিতা মোঃ রফিক বলেন,ভোট নিয়ে তালাকের ঘটনা ঘটেনি। তবে,তৃতীয় বিয়ে করায় ও মাদকাক্ত হয়ে পড়ার কারনে সাংসারিক ঝড়গার জেরে ওই তালাকের ঘটনাটি ঘটেছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ থানার ওসি মোঃ আবুল বাশার বিষয় কেউ থানায় অবহিত করেনি বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....