শিরোনাম :
নোয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জেলা জামায়াতের উদ্বেগ, প্রশাসনের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি বেগমগঞ্জে ছায়দুল হক-রুহুল আমিন (কাতু মিয়া) স্মৃতি নাইট শট পিজ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ বেগমগঞ্জে প্রবাসী যুবদল নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, খোলা আকাশের নিচে পরিবার সোনাইমুড়ীর ইউএনও এবং এসিল্যান্ড এর অপসারণ চেয়ে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার” কায়েসুর রহমান জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার” কায়েসুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: -প্রতিমন্ত্রী ইশরাক নোয়াখালীতে ফের কিশোর গ্যাং এর হামলা, ভাঙচুর মহিলা সহ আহত ১০ , নিখোঁজ ১  নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় কিশোর গ্যাং এর হামলায় ২ খুন, আতঙ্ক নোয়াখালীতে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশত আহতের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি

নোয়াখালীতে আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে জেলা জামায়াতের উদ্বেগ, প্রশাসনের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

  • আপডেট সময় : রবিবার, জুন ৭, ২০২৬
  • 20 পাঠক

জাতীয় নিশান প্রতিবেদক: নোয়াখালী জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, ডাকাতি ও তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নোয়াখালী জেলা শাখা। এসব সমস্যা সমাধানে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের নিকট অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

আজ রবিবার সন্ধ্যায় জেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা কর্মপরিষদের এক সভায় এই দাবি জানানো হয়। কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা অঞ্চল টিম ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য এ.কে.এম. শামসুদ্দিন।

সভায় উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি নোয়াখালী সদর উপজেলার বিএনপির একটি মিছিলে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। এর আগেও নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে মিছিল করা হলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রতিরোধ-তৎপরতা দেখা যায়নি বলে সভায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়। উক্ত হামলায় ১২ জন আহত হয় এবং ৬ টি মোটর সাইকেল ভাঙচুর ও লুট হয়। সভার পক্ষ থেকে আহতদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ ও সুচিকিৎসা দাবী করা হয়।

জেলায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে সভায় বলা হয়, পবিত্র ঈদের পরপরই জেলার বিভিন্ন স্থানে কিশোর গ্যাংয়ের নৃশংসতায় ৩ জন নিহত হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও দৌরাত্ম্য চরম আকারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া শহরের ফকিরপুর ও লক্ষিণারায়ণপুর এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির ঘটনা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভঙ্গুর দশাকেই ফুটিয়ে তোলে।

বিদ্যুৎ খাতের তীব্র সংকটের কথা উল্লেখ করে জামায়াত নেতারা বলেন, বর্তমানে নোয়াখালী জেলা শহরে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ থাকে, তার তুলনায় গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন ও করুণ। গ্রামীণ এলাকাগুলোতে দৈনিক ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে, যা জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও ব্যবসাবাণিজ্যকে অচল করে দিয়েছে।

সভায় জেলায় প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়া এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন দাম বাড়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় মধ্য ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো চরম অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করছে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

সবশেষে, নোয়াখালী জেলা কর্মপরিষদের পক্ষ থেকে জেলার সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে এবং জনদুর্ভোগ লাঘবে অনতিবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর আহ্বান জানানো হয়। #

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....