শিরোনাম :
বিদেশফেরত কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে নোয়াখালীতে মোটরযান চালনা প্রশিক্ষণ শুরু কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বাড়ি ও সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ নোয়াখালীতে কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বাড়ি-সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ চূড়ান্ত ডাক এলে বের হয়ে পড়বেন- ​ডা: শফিকুর রহমান এমপি জাল-জালিয়াতি মাধ্যমে নিয়োগ: নোয়াখালীতে ফ্যাসিষ্ট এর দোষর গ্রাম পুলিশ আবদুর রহিম এখনো বহাল তবিয়তে সৌদি আরবে গুলিতে নিহত কামরুল হোসেনের পরিবারকে দেখতে গেলেন আরএফবি’র ‍প্রেসিডেন্ট  বেগমগঞ্জে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দুই শিক্ষক বরখাস্ত নোয়াখালীতে রোগী সেজে সোনার চেইন চুরি, এক্সরে করে পেটে শনাক্ত চরম নির্মমতার স্বাক্ষী নোয়াখালীর সৌদি প্রবাসীর পরিবার, একে একে দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ অসহায় বাসু মিয়ার মুখে হাসি ফোটালো মানবতার হাসি ফাউন্ডেশন

পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬
  • 193 পাঠক

জাতীয় নিশান প্রতিবেদক: গভীর রাত। চারদিকে নিস্তব্ধতা। খাওয়া দাওয়া শেষে পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন সবাই। হঠাৎ ঘরের টিনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় সবার। দরজা খুলতেই ২০ থেকে ৩০ জনের একটি সশস্ত্র দল ঘরে ঢুকে পড়ে। মুহূর্তেই ঘরের পুরুষ সদস্যদের কুপিয়ে আহত করা হয়। নারীদের সবাইকে একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। এরপর আহত পুরুষদের গলায় রশি বেঁধে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের বস্তায় ঢুকিয়ে ফেলারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কৃষক।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা সদরের মুক্তিযোদ্ধা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন আহত কৃষক মো. এরশাদ। তিনি উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে।
লিখিত বক্তব্যে এরশাদ বলেন, তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে গ্রাম পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর থেকেই পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক ইউপি সদস্য আজহার উদ্দিন জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। সম্প্রতি তারা নিজ জমিতে ঘর নির্মাণ করে বসবাস শুরু করলে ক্ষিপ্ত হয়ে আজহার উদ্দিন ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালান।
এরশাদের দাবি, হামলাকারীরা শুধু শারীরিক নির্যাতনই করেনি; গভীর রাতে দুটি টমটম গাড়ি এনে ঘরের আসবাবপত্র ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরিবারের শিশুদের কান্না ও চিৎকারে আশপাশের লোকজন জেগে উঠলেও হামলাকারীদের ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেননি।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও ২০২৩ সালে আমার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু সেই ঘটনারও কোনো সুষ্ঠু বিচার হয়নি। ফলে তারা বারবার হামলার সাহস পাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষক এরশাদ ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এঘটনায় হাতিয়া থানায় মামলা হলেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। মামলা করায় আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী ও সাক্ষীদের প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে।
এব্যাপারে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ কবির হোসেন বলেন কয়েকজন আসামি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন নেন। বাকী আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....