শিরোনাম :
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু ডা: মোস্তফা-হাজেরা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রমের উদ্বোধন নোয়াখালীতে বসতবাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাংচুর নোয়াখালীতে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সামাজিক নিরীক্ষার ফলাফল উপস্থাপন বিষয়ক মতবিনিময় সভা নোয়াখালীতে দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্নালংকার ও মালামাল লুট অপপ্রচার ও হুমকির প্রতিবাদে চাটখিলে সাংবাদিকদের মানববন্ধন ছোট ভাইকে নামাজরত কুপিয়ে হত্যা করে আত্মগোপন, নোয়াখালীর তাবলীগ জামাত থেকে বড় ভাই গ্রেফতার  নোয়াখালীতে ভাতিজার পুরুষাঙ্গ কেটে চাচী উধাও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন নকশা বহির্ভুত সড়ক নির্মানের প্রতিবাদে নোয়াখালীতে মানববন্ধন সড়ক অবরোধ বিক্ষোভ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু

  • আপডেট সময় : বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
  • 23 পাঠক

জাতীয় নিশান প্রতিবেদক:
নোয়াখালীর সেনবাগে ‘সুন্দরপুর-৪’ নামে একটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন গ্যাস কূপের খনন কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রাথমিক মূল্যায়নে এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড) এ খনন কাজ পরিচালনা করছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাপেক্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ড্রিলিং) ও ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান। তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কূপ খননের কাজ শুরু হয়েছে।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কূপটি সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে অবস্থিত। তবে এটি একই ভূগর্ভস্থ গ্যাস ফিল্ডের অংশ হওয়ায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দরপুর-৪’। এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় সুন্দরপুর গ্যাস ফিল্ডের ১, ২ ও ৩ নম্বর কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি সুন্দরপুর-২ কূপ থেকে প্রায় ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার দূরে হলেও একই রিজার্ভের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ নামকরণ করা হয়েছে।

বাপেক্স সূত্র জানায়, জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ শেষে গত এপ্রিলের শেষ দিকে কূপ এলাকায় রিগ স্থাপন করা হয়। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন শুরু হয়েছে। কূপটি সফল হলে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে গ্যাস সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কূপের ড্রিলিং ইনচার্জ জাকির হোসেন খান বলেন, কূপটির লক্ষ্যমাত্রিক গভীরতা প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিটার। প্রায় ১ হাজার ৩৬১ মিটার গভীরে সম্ভাব্য গ্যাস স্তর রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে খনন কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) করতে আরও ১৫ থেকে ২০ দিন লাগবে। সব মিলিয়ে আড়াই মাসের মধ্যে কূপটির চূড়ান্ত ফলাফল জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গ্যাসের মোট মজুত নির্ধারণ করা সম্ভব না হলেও আশপাশের কূপগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করে বাপেক্স আশা করছে, এ কূপ থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যেতে পারে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....