শিরোনাম :
চৌমুহনীতে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে মৎসজীবি দলের মিছিল ও লিফলেট বিতরণ নোয়াখালীতে ডা: মোস্তফা -হাজেরা ফাউন্ডেশন মেধা বৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তি ও সনদ প্রদান    বেগমগঞ্জে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাংবাদিকদের সাথে খেলাফত মজলিস প্রার্থীর মত বিনিময় আজ বিকালে হাতিয়ার নির্বাচনী সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিবেন তারেক রহমান লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের ৮ দিন পর কলেজছাত্রের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার, একজন আটক বেগমগঞ্জে মসজিদের খতিবকে রাজকীয় সম্মাননা বেগম খালেদা জিয়া আমাদের কাছে একটি আদর্শ।-বরকত উল্যাহ বুলু ২৩ বছর পর নোয়াখালীতে আসছেন তারেক রহমান নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষণা

নোয়াখালীর খাদ্য নিয়ন্ত্রক হানি ট্র্যাপের শিকার, ৬০ লাখ টাকায় মুক্তি

  • আপডেট সময় : শনিবার, মে ৩, ২০২৫
  • 1103 পাঠক

জাতীয় নিশান ডেক্স: আবারও আলোচনায় ‘হানি ট্র্যাপ’। এবার হানি ট্র্যাপের শিকার হলেন নোয়াখালী জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।। দাওয়াত রক্ষা করতে গিয়ে জিম্মি হয়ে বেদম নির্যাতন, ব্ল্যাকমেইলিংয়ের পর ৬০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পান তিনি। অনেক আগে থেকেই সংগীতের প্রতি দুর্বলতা সরকারি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।এর। মাঝে মধ্যেই গান গাওয়ার পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেন তিনি।এই সুবাদে পরিচয় হয় ঢাকার মডেল তনয়া হোসেনের সঙ্গে, যার প্রকৃত নাম নাজমুন নাহার সুখী (২৮)। এরপর তার সঙ্গে অনেকটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে জাহাঙ্গীর আলমের। তারা একসাথে একটি মিউজিক ভিডিওতে অভিনয়ও করেছেন। তাদের এই সম্পর্কের একপর্যায়ে মঞ্চে আসেন তনয়ার বড় বোন তানিশা, যার আসল  নাম কামরুন নাহার আঁখি (৩২)। তার স্বামী দুবাইতে দুর্ঘটনায় পড়েছেন, চিকিৎসার জন্য দরকার পাঁচ লাখ টাকা- এই কথা বলে জাহাঙ্গীরের কাছে পাঁচ লাখ টাকা সহায়তা চান তানিশা। সহানুভূতিশীল হয়ে সেই টাকা দেন জাহাঙ্গীর। এভাবেই তনয়া-তানিশার ভয়াবহ ফাঁদের শুরু। টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য একদিন তনয়া তাদের ঢাকার বাসায় জাহাঙ্গীর আলমকে দাওয়াত করেন। গত ১৯ এপ্রিল নির্ধারিত সময়ে ঢাকার ছোল মাঈদ উত্তর পাড়ায় তনয়াদের বাসায় যান জাহাঙ্গীর আলম।। কিন্তু তার জন্য যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে তা কল্পনাও করেননি তিনি। ওই বাসায় আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল তনয়া-তানিশা সহ চক্রের আরও  দুই সদস্য। জাহাঙ্গীর আলম বাসায় ঢোকার পরই তাকে বেঁধে ফেলে তারা। এরপর শুরু হয় মারধর, শ্বাসরোধে মারার চেষ্টা। প্রাণ বাঁচাতে জাহাঙ্গীরের কাছে দাবি করা হয় এক কোটি টাকা। জিম্মি হয়ে পড়া জাহাঙ্গীর পরিবারের কাছে ফোন করে টাকা পাঠাতে বলেন। এরপর এসএ পরিবহনের মাধ্যমে ৫২ লাখ টাকা এবং বিকাশে পাঠানো হয় আরও ৮ লাখ টাকা। ৬০ লাখ টাকা পাওয়ার পর জাহাঙ্গীর আলমকে বিবস্ত্র করে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তনয়া-তানিশা চক্র। তাকে হুমকি দেওয়া হয়, যদি কাউকে এ ঘটনা জানায় তবে এসব ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে সামাজিক মাধ্যমে। রাতে চক্রটি জাহাঙ্গীরকে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়ে পড়ে। বিভিন্ন পথ ঘুরে তাকে অর্ধনগ্ন অবস্থায় ফেলে যায় বাড্ডার এক অন্ধকার গলিতে। বির্পযস্ত জাহাঙ্গীর একজন রিকশাচালকের সহায়তায় আশ্রয় নেন একটি হোটেলে। পরে চলে যান চট্টগ্রাম। সেখানে চিকিৎসা নিয়ে শারীরিক ভাবে কিছুটা সুস্থ হলে, ফিরে আসেন ঢাকায় এবং মামলা করেন ভাটারা থানায়। এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল তনয়াদের ওই বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে তনয়া, তানিশা, সাফাত ইসলাম ও রুমানা ইসলাম কে। সেখান থেকে উদ্ধার হয় ১৫ লাখ ৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, বাকি টাকার একটা অংশ জমা রাখে ব্যাংকে, কিছু টাকা দিয়ে তারা আইফোন ক্রয় করেছে।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে জাহাঙ্গীল আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি রিসিভ করেননি।

 

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....