শিরোনাম :
নোবিপ্রবিতে সাপের উপদ্রব, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা কর্মী সমর্থকদের নিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রোগ্রামে বিএনপি নেতা হিরা ২০২৭-২০২৮ কার্যকালের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেনী জেলার আমীর নির্বাচিত হয়েছেন মুফতি আবদুল হান্নান। অধ্যাপক আবদুল জব্বার ফাউন্ডেশন ও রামনগর ইউনিয়ন উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি সম্পন্ন প্রাণ ফিরে পেলো দৈনিক জাতীয় নিশান নোয়াখালী জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় স্থানে ন্যাশনাল মডেল কলেজ এইচএসসির ফল প্রকাশ: সোনাইমুড়ীতে প্রথম স্থান ও জেলায় দ্বিতীয় “আতাউর রহমান ভূঁইয়া কলেজ” এইচএসসির ফল প্রকাশ: “আতাউর রহমান ভূঁইয়া কলেজ” নোয়াখালীতে দ্বিতীয় সোনাইমুড়ীতে সাংবাদিকদের সাথে এসকে গ্রুপের চেয়ারম্যান শেখ কামাল হোসেনের মতবিনিময়  বেগমগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও সমাবেশ

ধানের ন্যার্য মূল্য পাচ্ছেনা নোয়াখালীর কৃষক

  • আপডেট সময় : বুধবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৫
  • 1229 পাঠক
জাতীয় নিশান প্রতিবেদক:
নোয়াখালীতে ন্যার্য মূল পাচ্ছেনা ইরিা বোরো ধান চাষিরা। সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করে দিলেও কিছু মিল মালিক ও দালাল চক্র সরকার নির্ধারিত দামের চাইতে অনেক কম মূল্য হাকাচ্ছে। প্রান্তিক কৃষকরা নিরুপায় হয়ে  মিল মালিক ও দালালদের কাছে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত  জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরে প্রান্তিক কৃষকদের সাথে কথা বলে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ধান ক্রয় নিয়ে জেলায় শক্তিশালি দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠলেও জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও কৃষি বিপনন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা। বর্তমানে কৃষকরা হতাশার মধ্যে রয়েছেন। অনেক কৃষক ব্যাংক, বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে লোন নিয়ে ও ধার দেনা করে ধান রোপন করলেও এখন তাদেরকে মোটা অংকের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তারা এখন কিভাবে ব্যাংকের লোন, ধার দেনা শোধ করবে, কি ভাবে সংসার চালাবে তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ছে।
বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের কৃষক নুর নবী জানান, সরকার প্রতি মন ধানের দাম নির্ধারণ করেছে ১৪০০ টাকা। অথচ মিল মালিকরা ও তাদের নিয়োজিত দালালরা মন ৮০০-৯০০ টাকা দাম হাকাচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন শ্রমিকের মজুরি খানাসহ প্রায় ১২০০ টাকা পড়ে। তাহলে ধান  কেটে শ্রমিকের মজুরি দিয়েই কুল পাচ্ছিনা। লাভ হবে কেমনে। আমাদের ভবিষ্যৎতো অন্ধকার। একই কথা জানালেন  সোনাইমুড়ী উপজেলার নাটেশ^র, বারগাঁওসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা। এ বিষয়ে কৃষকরা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
কৃষি উদ্যোক্তা আনোয়ার হোসেন বাবুল বলেন, সরকার ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও মাঠ পর্যায়ে কোন তদারকি নেই। তাছাড়া কৃষকরা সরকারী খাদ্য গুদামে ধান দিতে গেলেও নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। তাই বাধ্য হয়ে কৃষকরা কম দামে ধান বিক্রি করছে। মিল মালিক ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে সরকারী কর্তৃপক্ষ একটু নজরদারি করলে কৃষকরা উপকৃত হতো।
তবে এ বিষয়ে কোন মিল মালিক বা দালাল চক্রের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
নোয়াখালী জেলা  কৃষি অফিসার ড. মিরা রানী দাস জানান, সরকার ইতিমধ্যে ধানের মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের ধান বিক্রির জন্য আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি। কৃষকরা যদি কম মূল্যে ধান বিক্রি করে সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই। বিষয়টির সাথে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তর জড়িত। আমি বিষয়টি নিয়ে তাদের সাথে কথা বলবো।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ জানান, কোন দালাল সিন্ডিকেটের বিষয়ে কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি। সরকারী ভাবে ধান ক্রয় এখনো শুরু হয়নি। কৃষকরা যদি কম মূল্যে ধান বিক্রি করে আমাদের কি করার আছে। আমরা কৃষকদের তালিকা তৈরী করছি, ধানের মান অনুযায়ী কৃষকরা ন্যার্য মূল্য পবেন। এ ক্ষেত্রে কৃষকদের আরো শতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেন জেলা প্রশাসক।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....