শিরোনাম :
বাটইয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী নূর উল্যাহ সাহাব উদ্দিনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা  রাখে আল্লাহ মারে কে? ড্রেনের পাশে পড়ে থাকা নবজাতককে নিতে আগ্রহী অনেকে নোয়খালীতে সৌরভিত্তিক সিস্টেম স্থাপনের অগ্রগতি গুরুত্ব ও বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা কাদের মির্জা, স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের তিন মামলা    নোয়াালীতে ইতালি প্রবাসীর বাড়িতে হামলা, মাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা  ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে নোয়াখালীতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ডাক্তারি পরামর্শ কেন্দ্রের উদ্বোধন শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আওয়ামীলীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে।-বরকত উল্যাহ বুলু এমপি   বেগমগঞ্জে মাদক বিরোধী সমাবেশ  নোয়াখালীতে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্যে বন কর্মকর্তাকে বদলি

বাটইয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী নূর উল্যাহ সাহাব উদ্দিনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা

  • আপডেট সময় : রবিবার, অক্টোবর ১৮, ২০২৬
  • 55 পাঠক

নুর আলাম বিপ্লব, কবিরহাট থেকে: ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলায় বাটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরু সাহাব উদ্দিন বলেন,

রাজনীতি আমার কাছে শুধু একটি পদ বা পরিচয়ের নাম নয়; রাজনীতি হলো মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতা, মামলা-হামলা, কারাবরণ ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন

১৯৮৪ সাল: বাটইয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হই।

১৯৮৬ সাল: বাটইয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হই।

১৯৮৮–১৯৯৬ সাল: বাটইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ৩ বার দায়িত্ব পালন করি। একই সময়ে কবিরহাট সদর পূর্বাঞ্চল বিএনপির সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।

১৯৯৬ সালের আগস্ট মাস: তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনের প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে এক দিনেই সাতটি মামলায় আসামি করা হয় বলে আমার অভিযোগ। এর ফলে বাধ্য হয়ে এলাকা ছাড়তে হয়।

২০০১ সাল থেকে: গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাটইয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই।
২০০৬–২০১৪ সাল: কবিরহাট উপজেলা বিএনপি ও সদর পূর্বাঞ্চল বিএনপির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।

২০১৪–২০২৫ সাল: দুইবার নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।

২০২০–২০২৫ সাল: কবিরহাট উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি।

২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুটি মামলায় আমাকে আসামি করা হয়।

পরবর্তীতে, ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর, বিএনপির ডাকা সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের পাশ থেকে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হই। এরপর একটি মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। জামিন পাওয়ার পর পুনরায় আরেকটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এভাবে দুটি মামলায় মোট ১০৩ দিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবরণ করি। আমার দাবি, এসব মামলায় আমাকে অন্যায়ভাবে হয়রানি করা হয়েছে।
রাজনীতির মূল লক্ষ্য—মানুষের সেবা ও এলাকার উন্নয়ন

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কবিরহাট উপজেলা, সদর পূর্বাঞ্চল ও বাটইয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, রাস্তাঘাট ও কালভার্ট নির্মাণে সহযোগিতা, ছেলে-মেয়েদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে জনকল্যাণে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি।

আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতির প্রকৃত সার্থকতা পদ-পদবিতে নয়; বরং মানুষের ভালোবাসা অর্জন, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখার মধ্যেই নিহিত।

ত্যাগ ও সংগ্রামের পথ কখনো সহজ ছিল না। তবুও মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং এলাকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে রাজনৈতিক পথচলা অব্যাহত রেখেছি।

আগামীতেও কবিরহাট উপজেলা, সদর পূর্বাঞ্চল ও বাটইয়া ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।

সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....