
জাতীয় নিশান প্রতিবেদক:
সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন না করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ সর্ব মহলে ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়েছে। জানা গেছে, ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ছিলো আজ শনিবার । উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।
এরআগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহসিয়া তাবাসসুমের সভাপতিত্বে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। ওই সভায় যথাযোগ্য মর্যদায় দিবসটি পালন ও সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে আলোচনা অনু্িষ্ঠত হয়।
কিন্তু আজ শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে সেনবাগ উপজেলা ৫০শর্য্যা সরকারি হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বেলা ১১.টা ১০ মিনিট পার্যন্ত সেনবাগ উপজেলা ৫০শর্য্যা সরকারি হাসপাতালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। এটা বাংলাদেশে জাতীয় পতাকার অবমাননা সংক্রান্ত আইনের অধীে ন শাস্তির বিধান রয়েছে। জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২’ (২০১০ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী জাতীয় পতাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক। এ বিধিমালা লঙ্ঘন বা পতাকার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্ত সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তৃপক্ষ সেটিই করেছে।
এব্যপারে যোগাযোগ করলে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাদিয়া আফরোজ জানান,কর্মচারীরা কাজের চাপে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে ভুলে গেছে। তাই তিনি উত্তোলনের ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
এব্যপারে সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহসিয়া তাবাসসুমকে এর ভিডিও পাঠিয়ে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি দেখছেন বলে জানান।
অপরদিকে শনিবার সেনবাগ উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা সভায় জাতীয় পতাকা অবমাননা খবর জানাজানি হলে ক্ষোভে পেটে পড়েন রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় সেনবাগ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহবায়ক আবদুল আজিম চৌধুরী জাতীয় পতাকা অবমাননা কারীদে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানান।