শিরোনাম :
জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার” কায়েসুর রহমান জেলা পর্যায়ে “শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার” কায়েসুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: -প্রতিমন্ত্রী ইশরাক নোয়াখালীতে ফের কিশোর গ্যাং এর হামলা, ভাঙচুর মহিলা সহ আহত ১০ , নিখোঁজ ১  নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় কিশোর গ্যাং এর হামলায় ২ খুন, আতঙ্ক নোয়াখালীতে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশত আহতের ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি খানা-খন্দে দুর্ভোগ, নিজ অর্থায়নে সড়ক সংস্কার করলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন এআই প্রযুক্তিতে তৈরি ভুয়া ছবি ও মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গাজী জুয়েল বেগমগঞ্জে প্রবাসীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জবর দখলের চেষ্টা, হুমকি, আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার সোনাইমুড়ীতে ২ বছর পর পুকুর খুঁড়ে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার,  সৎ ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৩ 

নোয়াখালীতে তিন হাসপাতালকে জরিমানা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, জুলাই ৬, ২০২৩
  • 2667 পাঠক

জাতীয় নিশান প্রতিবেদক:
নোয়াখালীর সদর উপজেলার মাইজদী বাজারে তিনটি বেসরকারি হাসপাতালকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দুপুরের দিকে হাসপাতালে লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র,মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও ডিপ্লোমা নার্স না থাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অর্থদন্ড প্রদান করেন।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান। ওই সময় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত দাস ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. সোহরাব হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে নোয়াখালী ইউনাইটেড হাসপাতালেকে ২ লাখ টাকা, মুন হাসপাতালকে এক লাখ টাকা ও আদর হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মুন হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে রোগী ভর্তি করাতে আসা দুই দালালকে আটক করা হয়। পরে মোসলেখা নিয়ে চেড়ে দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকেরা তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জনবল দেখাতে পারেন নি। এছাড়া তাদের ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার দায়ে তাদের জরিমানা করা হয় এবং ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়।

র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বলেন, রোগী ও তাদের স্বজনদের অভিযোগ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মধ্যমে শেয়ার করুন...

এ বিভাগের আরো খবর....